ঢাকা ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন লালমোহনে একতা জেনারেল হসপিটাল এন্ড ট্রমা সেন্টারের উদ্বোধন লালমোহনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন স্কুল থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে টমটমের চাপায় ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু লালমেহান পৌরসভার ময়লা ফেলা হচ্ছে হেলিপ্যাডের উপর ! দুর্ভোগ ও দুর্গন্ধে এলাকাবাসী লালমোহনে বিএনপির উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন পালিত লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত লালমোহনে হার্টের রোগে আক্রান্ত শিশু শাকিবকে বাঁচাতে বাবা মায়ের আকুতি কোস্ট গার্ডের অভিযানে লালমোহনে ৪৮ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক কোস্ট গার্ডের অভিযানে লালমোহনে ৪৮ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক
সংবাদ শিরোনাম :
Welcome To Our Website... সকল উপজেলা ও জেলায়, প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, বিজ্ঞাপনের সু-ব্যবস্থা রয়েছে, বিজ্ঞাপন দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন, যোগাযোগ- ০১৭৩০৯৪৮৯০২

লালমোহনে মাদ্রাসার নির্মানাধীন ভবনের কাজ বন্ধের মামলা খারিজ করে দিলো আদালত

ভোলার লালমোহনের কালমা ইউনিয়নে একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসার নির্মানাধীন ভবনের কাজ আদালতে মামলা দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয় এলাকাবাসী। বন্ধের বিষয়ে একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ পায়। তবে বুধবার ২৯ এপ্রিল বিজ্ঞ আদালতে মামলা খারিজ হয়ে যায়। ফলে ভবনের কাজে আর কোন বাধা নেই।

মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা কালমা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড চরছকিনা গ্রামের মুন্সি বাড়ির মো. জিয়াউল হক, মো. জিল্লুর রহমান ফরহাদ বলেন, ৪ বছর আগে আমাদের জমিতে বাবার নামে হাজী নুরুল ইসলাম দারুল আরকাম ক্বওমী মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করি। এখানে ১ একর ১২ শতাংশ জমি রয়েছে। সম্প্রতি মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী বেড়ে যাওয়ায় এবং এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে ৩ তলা ফাউন্ডেশন নিয়ে ভবন নির্মাণ কাজ শুরু হয়। নিচে মসজিদ ও উপরে মাদ্রাসার পাঠদান, আবাসিক কক্ষ নির্মাণ হবে। নিচ তলার কাজ প্রায় শেষ হয়ে গেলে আমাদের চাচী লুৎফা বেগম একটি কুচক্রি মহলের ইন্ধনে ভোলা কোর্টে নিষেধাজ্ঞা মামলা করেন। তার দাবী জমিতে তার মালিকানা রয়েছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ওই জমিতে লুৎফা বেগমের কোন স্বত্ব নেই। মামলা করায় আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি হলে নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এতে মাদ্রাসার প্রায় ২ শতাধিক শিক্ষার্থীর দুর্ভোগ সৃস্টি হয়। তাদের বর্ষা মৌসুমের আগে পাকা ভবনে যাওয়ার বাধা সৃস্টি করা হয়। কিন্তু বুধবার বিজ্ঞ আদালত লুৎফা বেগমের মামলা খারিজ করে দেন। তিনি জমি না পেলেও অযথা হয়রানী করেন। একটি দ্বীনি প্রতিষ্ঠান নির্মাণে বাধা সৃস্টি করেন।

জিয়াউল হক ও মো. জিল্লুর রহমান ফরহাদ আরো বলেন, ৪ মাস কাজ বন্ধ করে রাখায় আমাদের লাখ লাখ টাকার রড, সিমেন্টসহ মালামাল নস্ট হয়েছে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা ভোগান্তির মধ্যে ছিলেন। নানানভাবে আমাদের হয়রানী করেছেন। এসব ক্ষয়ক্ষতি ও হয়রানীর বিচার দাবী করেন তারা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন

লালমোহনে মাদ্রাসার নির্মানাধীন ভবনের কাজ বন্ধের মামলা খারিজ করে দিলো আদালত

Update Time : ০৮:৩৭:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২৬

ভোলার লালমোহনের কালমা ইউনিয়নে একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসার নির্মানাধীন ভবনের কাজ আদালতে মামলা দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয় এলাকাবাসী। বন্ধের বিষয়ে একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ পায়। তবে বুধবার ২৯ এপ্রিল বিজ্ঞ আদালতে মামলা খারিজ হয়ে যায়। ফলে ভবনের কাজে আর কোন বাধা নেই।

মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা কালমা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড চরছকিনা গ্রামের মুন্সি বাড়ির মো. জিয়াউল হক, মো. জিল্লুর রহমান ফরহাদ বলেন, ৪ বছর আগে আমাদের জমিতে বাবার নামে হাজী নুরুল ইসলাম দারুল আরকাম ক্বওমী মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করি। এখানে ১ একর ১২ শতাংশ জমি রয়েছে। সম্প্রতি মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী বেড়ে যাওয়ায় এবং এলাকাবাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে ৩ তলা ফাউন্ডেশন নিয়ে ভবন নির্মাণ কাজ শুরু হয়। নিচে মসজিদ ও উপরে মাদ্রাসার পাঠদান, আবাসিক কক্ষ নির্মাণ হবে। নিচ তলার কাজ প্রায় শেষ হয়ে গেলে আমাদের চাচী লুৎফা বেগম একটি কুচক্রি মহলের ইন্ধনে ভোলা কোর্টে নিষেধাজ্ঞা মামলা করেন। তার দাবী জমিতে তার মালিকানা রয়েছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ওই জমিতে লুৎফা বেগমের কোন স্বত্ব নেই। মামলা করায় আদালত থেকে নিষেধাজ্ঞা জারি হলে নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এতে মাদ্রাসার প্রায় ২ শতাধিক শিক্ষার্থীর দুর্ভোগ সৃস্টি হয়। তাদের বর্ষা মৌসুমের আগে পাকা ভবনে যাওয়ার বাধা সৃস্টি করা হয়। কিন্তু বুধবার বিজ্ঞ আদালত লুৎফা বেগমের মামলা খারিজ করে দেন। তিনি জমি না পেলেও অযথা হয়রানী করেন। একটি দ্বীনি প্রতিষ্ঠান নির্মাণে বাধা সৃস্টি করেন।

জিয়াউল হক ও মো. জিল্লুর রহমান ফরহাদ আরো বলেন, ৪ মাস কাজ বন্ধ করে রাখায় আমাদের লাখ লাখ টাকার রড, সিমেন্টসহ মালামাল নস্ট হয়েছে। শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা ভোগান্তির মধ্যে ছিলেন। নানানভাবে আমাদের হয়রানী করেছেন। এসব ক্ষয়ক্ষতি ও হয়রানীর বিচার দাবী করেন তারা।