
ভোলার লালমোহনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত বিডিপির কর্মীদের মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা নিয়ে কথার কাটাকাটির পর হামলার খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) পৌরসভার ১১নং ওয়ার্ড বকসী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। হামলার ঘটনায় ১১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. বজলুর রহমান আহত হয়ে লালমোহন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
দু‘পক্ষের হামলা ও পাল্টা হামলার খবর পেয়ে লালমোহন থানার পুলিশ ও নৌবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। বর্তমানে ওই এলাকা পুরোপুরি শান্ত রয়েছে।
আহত বজলুর স্ত্রী ও স্বজনরা জানান, শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় পৌরসভার ১১নং ওয়ার্ড বকসী বাড়িতে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা জন্য যায় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. বজলুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল। পরে সেখানে জামায়াত সমর্থিত বিডিপির কর্মী শাহাবুদ্দিন ও জুলহাসের সাথে নির্বাচনের ভোট নিয়ে কথা কথাকাটির এক পর্যায়ে শাহাবুদ্দিনের হাত ধরে বজলু এ বিষয়ে পরে কথা বলার জন্য অনুরোধ করেন। এসময় লালমোহনে নিষিদ্ধ সংগঠন উপজেলা কৃষকলীগ সভাপতি মোখলেছ বকসীর নেতৃত্বে কয়েকজন মিলে বিডিপির পক্ষ নিয়ে বজলুর উপর অতর্কিত হামলা করে। হামলায় বজলু মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এসময় বজলুর সাথে থাকা লোকজনের উপরও হামলার করে। উপস্থিত সকলের চিৎকার চেচামেচিতে ওই এলাকার বিএনপির নেতাকর্মীরা জড়ো হন।
পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন চলে আসার পর বিএনপির কর্মীরা আহত বজলুকে চিকিৎসার জন্য লালমোহন হাসপাতালে ভর্তি করেন। তারা আরো জানান, মোখলেছ বকসী আগে কৃষকলীগের উপজেলা সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে জামায়াত সমর্থিত বিডিপিতে যোগ দিয়ে এলাকায় ফুলকপির প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন এবং উগ্রআচরণ করে যাচ্ছেন।
এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি মোখলেছ বকসীর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘটনার সময় আমি ছিলাম না। ঘটনার খবর পেয়ে আমি সেখানে গিয়ে জানতে পারি ধানের শীষের লোকজনদের সাথে ফুলকপির লোকজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছি। এই ঘটনায় কেউ কোন অভিযোগ দাখিল করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত প্রযোজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
লালমোহন ভোলা প্রতিনিধি 









