ঢাকা ০৭:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন লালমোহনে একতা জেনারেল হসপিটাল এন্ড ট্রমা সেন্টারের উদ্বোধন লালমোহনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন স্কুল থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে টমটমের চাপায় ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু লালমেহান পৌরসভার ময়লা ফেলা হচ্ছে হেলিপ্যাডের উপর ! দুর্ভোগ ও দুর্গন্ধে এলাকাবাসী লালমোহনে বিএনপির উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন পালিত লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত লালমোহনে হার্টের রোগে আক্রান্ত শিশু শাকিবকে বাঁচাতে বাবা মায়ের আকুতি কোস্ট গার্ডের অভিযানে লালমোহনে ৪৮ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক কোস্ট গার্ডের অভিযানে লালমোহনে ৪৮ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক
সংবাদ শিরোনাম :
Welcome To Our Website... সকল উপজেলা ও জেলায়, প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, বিজ্ঞাপনের সু-ব্যবস্থা রয়েছে, বিজ্ঞাপন দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন, যোগাযোগ- ০১৭৩০৯৪৮৯০২

ক্ষমতায় এলে কাউকে কর্মস্থল ফেলে রাস্তায় আসতে হবে না : জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যদি ভবিষ্যতে ক্ষমতায় আসার সুযোগ পাায় তাহলে তিনটি প্রধান বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) ভবনে ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এফডিইবি)-এর বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডা. শফিকুর রহমান প্রথমেই ন্যায়বিচার ও সুশাসনের ওপর জোর দিয়ে বলেন, আমরা ক্ষমতায় এলে দাবি আদায়ে কাউকে এক মিনিটের জন্যও কর্মস্থল ফেলে রাস্তায় আসতে হবে না। ইনসাফের ভিত্তিতে যার যেটা পাওনা সেটা তার হাতে তুলে দেয়া হবে।

প্রথম অঙ্গীকার হিসেবে তিনি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থাকে ‘ভাঙাচোরা’ আখ্যা দিয়ে এটিকে দেশের ‘মেরুদণ্ড’ এর সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি বলেন, ভাঙাচোরা শিক্ষা ব্যবস্থা আর রাখা হবে না। এমন শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হবে, যা মানুষকে কেবল জ্ঞান নয়, নৈতিকতা শেখাবে। যে শিক্ষা দুর্নীতি ও অনৈতিকতার জন্ম দেয়, সেই শিক্ষাকে বিদায় জানানো হবে। বরং এমন শিক্ষা দেয়া হবে যা মানুষকে প্রকৃত অর্থে মানুষ বানাবে, অন্যকে সম্মান করতে শেখাবে। তিনি আরও বলেন, নৈতিক ও বৈষয়িক শিক্ষার সমন্বয়ে এমন পরিবেশ তৈরি করা হবে, যেখানে শিক্ষাজীবন শেষে কেউ বেকার থাকবে না। সবাই হয় উদ্যোক্তা হবে, নয়তো চাকরির সুযোগ পাবে।

দ্বিতীয় অঙ্গীকারের প্রসঙ্গে জামায়াত আমির সমাজে মর্যাদা নির্ধারণের মানদণ্ড পরিবর্তনের ঘোষণা দেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শুধু ডিগ্রির ভিত্তিতে এই কল্যাণ রাষ্ট্রে কারও মর্যাদা নির্ধারণ হবে না। কাজের ভিত্তিতে মর্যাদা নির্ধারণ করা হবে।

তৃতীয় অঙ্গীকার হিসেবে তিনি দুর্নীতিকে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরেন। তার দাবি, দেশে দুর্নীতির জোয়ার কেটে দেয়া হবে। এতে অনেকের অস্বস্তি তৈরি হবে, তবে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য দুর্নীতি দমন জরুরি। একইসঙ্গে প্রতিটি সেবার গুরুত্ব ও গভীরতার ভিত্তিতে বেতন কাঠামো নির্ধারণের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের আস্থা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালিত হলে আর কাউকে বঞ্চিত হতে হবে না। ইনসাফের মাধ্যমে প্রত্যেকেই তার প্রাপ্য অধিকার পাবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন

ক্ষমতায় এলে কাউকে কর্মস্থল ফেলে রাস্তায় আসতে হবে না : জামায়াত আমির

Update Time : ০৪:৪০:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যদি ভবিষ্যতে ক্ষমতায় আসার সুযোগ পাায় তাহলে তিনটি প্রধান বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) ভবনে ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এফডিইবি)-এর বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডা. শফিকুর রহমান প্রথমেই ন্যায়বিচার ও সুশাসনের ওপর জোর দিয়ে বলেন, আমরা ক্ষমতায় এলে দাবি আদায়ে কাউকে এক মিনিটের জন্যও কর্মস্থল ফেলে রাস্তায় আসতে হবে না। ইনসাফের ভিত্তিতে যার যেটা পাওনা সেটা তার হাতে তুলে দেয়া হবে।

প্রথম অঙ্গীকার হিসেবে তিনি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থাকে ‘ভাঙাচোরা’ আখ্যা দিয়ে এটিকে দেশের ‘মেরুদণ্ড’ এর সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি বলেন, ভাঙাচোরা শিক্ষা ব্যবস্থা আর রাখা হবে না। এমন শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা হবে, যা মানুষকে কেবল জ্ঞান নয়, নৈতিকতা শেখাবে। যে শিক্ষা দুর্নীতি ও অনৈতিকতার জন্ম দেয়, সেই শিক্ষাকে বিদায় জানানো হবে। বরং এমন শিক্ষা দেয়া হবে যা মানুষকে প্রকৃত অর্থে মানুষ বানাবে, অন্যকে সম্মান করতে শেখাবে। তিনি আরও বলেন, নৈতিক ও বৈষয়িক শিক্ষার সমন্বয়ে এমন পরিবেশ তৈরি করা হবে, যেখানে শিক্ষাজীবন শেষে কেউ বেকার থাকবে না। সবাই হয় উদ্যোক্তা হবে, নয়তো চাকরির সুযোগ পাবে।

দ্বিতীয় অঙ্গীকারের প্রসঙ্গে জামায়াত আমির সমাজে মর্যাদা নির্ধারণের মানদণ্ড পরিবর্তনের ঘোষণা দেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শুধু ডিগ্রির ভিত্তিতে এই কল্যাণ রাষ্ট্রে কারও মর্যাদা নির্ধারণ হবে না। কাজের ভিত্তিতে মর্যাদা নির্ধারণ করা হবে।

তৃতীয় অঙ্গীকার হিসেবে তিনি দুর্নীতিকে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরেন। তার দাবি, দেশে দুর্নীতির জোয়ার কেটে দেয়া হবে। এতে অনেকের অস্বস্তি তৈরি হবে, তবে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য দুর্নীতি দমন জরুরি। একইসঙ্গে প্রতিটি সেবার গুরুত্ব ও গভীরতার ভিত্তিতে বেতন কাঠামো নির্ধারণের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের আস্থা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালিত হলে আর কাউকে বঞ্চিত হতে হবে না। ইনসাফের মাধ্যমে প্রত্যেকেই তার প্রাপ্য অধিকার পাবে।