ঢাকা ০৭:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন লালমোহনে একতা জেনারেল হসপিটাল এন্ড ট্রমা সেন্টারের উদ্বোধন লালমোহনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন স্কুল থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে টমটমের চাপায় ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু লালমেহান পৌরসভার ময়লা ফেলা হচ্ছে হেলিপ্যাডের উপর ! দুর্ভোগ ও দুর্গন্ধে এলাকাবাসী লালমোহনে বিএনপির উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন পালিত লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত লালমোহনে হার্টের রোগে আক্রান্ত শিশু শাকিবকে বাঁচাতে বাবা মায়ের আকুতি কোস্ট গার্ডের অভিযানে লালমোহনে ৪৮ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক কোস্ট গার্ডের অভিযানে লালমোহনে ৪৮ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক
সংবাদ শিরোনাম :
Welcome To Our Website... সকল উপজেলা ও জেলায়, প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, বিজ্ঞাপনের সু-ব্যবস্থা রয়েছে, বিজ্ঞাপন দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন, যোগাযোগ- ০১৭৩০৯৪৮৯০২

পাঁচ বছরে ৩৫ হাজার সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৭ হাজার ৩৮২ প্রাণহানি

২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুলাই। এ পাঁচ বছরে সারাদেশে ৩৪ হাজার ৮৯৪টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে, এতে প্রাণ হারিয়েছেন ৩৭ হাজার ৩৮২ জন এবং আহত হয়েছেন ৫৯ হাজার ৫৯৭ জন।
রোববার (১০ আগস্ট) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের দেওয়া এক পরিসংখ্যানে এসব তথ্য উঠে আসে। সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান ও গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ সৈয়দ মো. জাহাঙ্গীর এসব তথ্য তুলে ধরেন।
সংগঠনটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি বছরই সড়কে প্রাণহানি বাড়ছে। যা দেশের জন্য অশনি সংকেত। এ দুর্ঘটনা ও মৃত্যুর পেছনে রয়েছে অবকাঠামোগত পরিকল্পনার অভাব, আইন প্রয়োগে শিথিলতা ও পরিবহন ব্যবস্থার সার্বিক দুর্বলতা। দেশের সড়ক পরিবহন খাতে কোনো শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং পরিস্থিতি দিন দিন আরও অবনতির দিকে যাচ্ছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্র ব্যবস্থার বিভিন্ন খাতে সংস্কার কমিশন গঠন করলেও সড়ক ব্যবস্থাপনা সংস্কারে কোনো কমিশন গঠন করেনি।
গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ মো. জাহাঙ্গীর বলেন, বাংলাদেশের সড়ক ব্যবস্থায় বহুস্তরে নৈরাজ্যের মধ্যে রয়েছে। জনসংখ্যার ঘনত্ব, অপরিকল্পিত নগরায়ন, দুর্বল অবকাঠামো, সংস্থাগুলোর সমন্বয়ের অভাব ও জবাবদিহিতাহীনতার কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি সব সময়ই বেশি থাকে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে চালকদের অবহেলা ও অদক্ষতা, দীর্ঘ সময় গাড়ি চালানোর চাপ, সড়কে গতিরোধকহীন দীর্ঘ অংশ, যান্ত্রিক ত্রুটি, পথচারীদের অসচেতনতা এবং আইন অমান্য করার প্রবণতা। এসব মিলিয়ে প্রতিদিনই মানুষ সড়কে প্রাণ হারাচ্ছে। কিংবা চিরতরে পঙ্গু হয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা সড়ক ব্যবস্থাপনা সংস্কারের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা তৈরি করেছি। এতে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি তিন ধাপে করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।
সড়ক ব্যবস্থাপনা সংস্কারে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তিনটি রূপরেখা প্রস্তাবের কথা জানিয়ে মো. জাহাঙ্গীর বলেন, স্বল্পমেয়াদে আমরা জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলকে পুনর্গঠন, পরিবহন খাতের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তিগত দক্ষ ব্যক্তিকে নিয়োগ, ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানে কঠোরতা, যানবাহনের আয়ুষ্কাল নির্ধারণ, দ্রুত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্তকরণ ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বিশেষ তহবিল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন

পাঁচ বছরে ৩৫ হাজার সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৭ হাজার ৩৮২ প্রাণহানি

Update Time : ০৪:১২:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুলাই। এ পাঁচ বছরে সারাদেশে ৩৪ হাজার ৮৯৪টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে, এতে প্রাণ হারিয়েছেন ৩৭ হাজার ৩৮২ জন এবং আহত হয়েছেন ৫৯ হাজার ৫৯৭ জন।
রোববার (১০ আগস্ট) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের দেওয়া এক পরিসংখ্যানে এসব তথ্য উঠে আসে। সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান ও গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ সৈয়দ মো. জাহাঙ্গীর এসব তথ্য তুলে ধরেন।
সংগঠনটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রতি বছরই সড়কে প্রাণহানি বাড়ছে। যা দেশের জন্য অশনি সংকেত। এ দুর্ঘটনা ও মৃত্যুর পেছনে রয়েছে অবকাঠামোগত পরিকল্পনার অভাব, আইন প্রয়োগে শিথিলতা ও পরিবহন ব্যবস্থার সার্বিক দুর্বলতা। দেশের সড়ক পরিবহন খাতে কোনো শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং পরিস্থিতি দিন দিন আরও অবনতির দিকে যাচ্ছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার রাষ্ট্র ব্যবস্থার বিভিন্ন খাতে সংস্কার কমিশন গঠন করলেও সড়ক ব্যবস্থাপনা সংস্কারে কোনো কমিশন গঠন করেনি।
গণপরিবহন বিশেষজ্ঞ মো. জাহাঙ্গীর বলেন, বাংলাদেশের সড়ক ব্যবস্থায় বহুস্তরে নৈরাজ্যের মধ্যে রয়েছে। জনসংখ্যার ঘনত্ব, অপরিকল্পিত নগরায়ন, দুর্বল অবকাঠামো, সংস্থাগুলোর সমন্বয়ের অভাব ও জবাবদিহিতাহীনতার কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি সব সময়ই বেশি থাকে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে চালকদের অবহেলা ও অদক্ষতা, দীর্ঘ সময় গাড়ি চালানোর চাপ, সড়কে গতিরোধকহীন দীর্ঘ অংশ, যান্ত্রিক ত্রুটি, পথচারীদের অসচেতনতা এবং আইন অমান্য করার প্রবণতা। এসব মিলিয়ে প্রতিদিনই মানুষ সড়কে প্রাণ হারাচ্ছে। কিংবা চিরতরে পঙ্গু হয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আমরা সড়ক ব্যবস্থাপনা সংস্কারের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা তৈরি করেছি। এতে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি তিন ধাপে করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে।
সড়ক ব্যবস্থাপনা সংস্কারে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের তিনটি রূপরেখা প্রস্তাবের কথা জানিয়ে মো. জাহাঙ্গীর বলেন, স্বল্পমেয়াদে আমরা জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলকে পুনর্গঠন, পরিবহন খাতের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তিগত দক্ষ ব্যক্তিকে নিয়োগ, ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানে কঠোরতা, যানবাহনের আয়ুষ্কাল নির্ধারণ, দ্রুত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্তকরণ ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বিশেষ তহবিল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছি।