ঢাকা ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন লালমোহনে একতা জেনারেল হসপিটাল এন্ড ট্রমা সেন্টারের উদ্বোধন লালমোহনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন স্কুল থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে টমটমের চাপায় ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু লালমেহান পৌরসভার ময়লা ফেলা হচ্ছে হেলিপ্যাডের উপর ! দুর্ভোগ ও দুর্গন্ধে এলাকাবাসী লালমোহনে বিএনপির উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন পালিত লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত লালমোহনে হার্টের রোগে আক্রান্ত শিশু শাকিবকে বাঁচাতে বাবা মায়ের আকুতি কোস্ট গার্ডের অভিযানে লালমোহনে ৪৮ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক কোস্ট গার্ডের অভিযানে লালমোহনে ৪৮ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক
সংবাদ শিরোনাম :
Welcome To Our Website... সকল উপজেলা ও জেলায়, প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, বিজ্ঞাপনের সু-ব্যবস্থা রয়েছে, বিজ্ঞাপন দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন, যোগাযোগ- ০১৭৩০৯৪৮৯০২

লালমোহনে বর্গাচাষি ভুয়া বায়না চুক্তি করে জোর করে জমি দখলের অভিযোগ

প্রথমে ছিলেন বর্গা চাষি। এরপর বছর বছর লগ্নি চাষি। জমির মালিক মারা যাওয়ার পর হঠাৎ ভুয়া বায়না চুক্তি দাড় করিয়ে জোর করে জমি দখল করে রেখেছেন মো. রুহুল আমিন নামের এক বর্গা চাষি। ভুয়া বায়না চুক্তি ধরা পরার পর জেলও খেটেছেন রুহুল আমিন। জেল থেকে বের হয়ে পুনরায় জমি দখলে রেখেছেন তিনি। মানছেন না আইনকানুন, নিয়ম নীতি এবং সালিশ বিচার। এ যেন রুহুল আমিনের জোর জুলুমের রাজ্য। জমিতে মালিক পক্ষ গেলে তাদেরকে খুন, জখম করা হবে না হয় নিজের লোককে খুন করে জমির মালিকদেরকে ফাঁসানো হবে বলে হুমকি দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত। ঘটনাটি ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড চর ছকিনা এলাকার।
ভুক্তভোগী মো. রাশেদ খান অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবা মৃত মো. ফরিদ উদ্দিন খান গত ২৯/০৪/১৯৯৫ ইং সালে ২৮০১ নং দলিল মূলে চর ছকিনা মৌজার ১০৩৯ নং খতিয়ানে ১.৩২ একর এবং একই মৌজার ১০৫৩ খতিয়ানের ২৮ শতাংশ মোট ১.৬০ একর জমি ক্রয় করে ভোগ দখল করে আসছেন। যার বর্তমান বিএস নং ৩৫৮৩। বাবা জীবিত থাকা অবস্থা থেকে জমির পাশের বাড়ির মো. রুহুল আমিন এই জমিটি বর্গা এবং বছর বছর লগ্নি রাখতেন। ২০১৯ সালে আমার বাবা হজ করতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। বাবার মৃত্যুর পর রুহুল আমিনের নিকট জমি লগ্নির টাকা চাইতে গেলে তিনি দেয় দিচ্ছি বলে সময় পার করতে থাকেন। কিছু দিন পর রুহুল আমিন একশ টাকার ৩টি স্ট্যাম্পে আমার বাবার নামে একটি বায়না চুক্তি আমাদেরকে দেখায় এবং বলে বায়না চুক্তির মাধ্যমে তিনি আমাদের জমি ক্রয় করেছেন। তখন বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ বসে মীমাংসা চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে বায়না চুক্তি বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় চুক্তির ফটোকপি নিয়ে আমি লালমোহন সাবরেজিষ্টার অফিসে তল্লাশি করলে তা না পাওয়ায়, ভোলা আদালতে ভুয়া বায়না চুক্তির বিরুদ্ধে মামলা করি। আদালতে মামলাটি তদন্ত করে এবং খুলনা ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে আমার বাবার আঙ্গুলের ছাপ বায়না চুক্তিতে আঙ্গুলের ছাপ না মেলায় বায়নাচুক্তিটি ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়। এরপর ভুয়া বায়না চুক্তি করার কারণে মো. রুহুল আমিন জেল খাটেন। জেল থেকে তিনি আমাদের জমি আমাদেরকে বুঝিয়ে দিবেন এই অঙ্গীকার করে বের হন। কিন্তু জেল থেকে বের হয়ে তিনি আরো বেপরোয়া হয়ে যান এবং আমাদের জমিতে আমরা গেলে আমাদেরকে খুন জখম করবে। না হয় তিনি তার পরিবারের সদস্যদের জমিতে নিয়ে খুন করে আমাদেরকে ফাঁসাবে বলে হুমকি প্রদান করছেন। আদালতে মামলাটি এখনো চলমান রয়েছে।
ভুয়া বায়নাকারী জুলুমবাজ রুহুল আমিনের জোর জুলুম হতে আমরা বাঁচতে চাই এবং আমাদের জমি আমরা যাতে নিরাপদে ভোগদখল করতে পারি তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

এ ব্যাপারে মো. রুহুল আমিনের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার মোবাইল বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন

লালমোহনে বর্গাচাষি ভুয়া বায়না চুক্তি করে জোর করে জমি দখলের অভিযোগ

Update Time : ০৪:৫৬:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

প্রথমে ছিলেন বর্গা চাষি। এরপর বছর বছর লগ্নি চাষি। জমির মালিক মারা যাওয়ার পর হঠাৎ ভুয়া বায়না চুক্তি দাড় করিয়ে জোর করে জমি দখল করে রেখেছেন মো. রুহুল আমিন নামের এক বর্গা চাষি। ভুয়া বায়না চুক্তি ধরা পরার পর জেলও খেটেছেন রুহুল আমিন। জেল থেকে বের হয়ে পুনরায় জমি দখলে রেখেছেন তিনি। মানছেন না আইনকানুন, নিয়ম নীতি এবং সালিশ বিচার। এ যেন রুহুল আমিনের জোর জুলুমের রাজ্য। জমিতে মালিক পক্ষ গেলে তাদেরকে খুন, জখম করা হবে না হয় নিজের লোককে খুন করে জমির মালিকদেরকে ফাঁসানো হবে বলে হুমকি দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত। ঘটনাটি ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড চর ছকিনা এলাকার।
ভুক্তভোগী মো. রাশেদ খান অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবা মৃত মো. ফরিদ উদ্দিন খান গত ২৯/০৪/১৯৯৫ ইং সালে ২৮০১ নং দলিল মূলে চর ছকিনা মৌজার ১০৩৯ নং খতিয়ানে ১.৩২ একর এবং একই মৌজার ১০৫৩ খতিয়ানের ২৮ শতাংশ মোট ১.৬০ একর জমি ক্রয় করে ভোগ দখল করে আসছেন। যার বর্তমান বিএস নং ৩৫৮৩। বাবা জীবিত থাকা অবস্থা থেকে জমির পাশের বাড়ির মো. রুহুল আমিন এই জমিটি বর্গা এবং বছর বছর লগ্নি রাখতেন। ২০১৯ সালে আমার বাবা হজ করতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। বাবার মৃত্যুর পর রুহুল আমিনের নিকট জমি লগ্নির টাকা চাইতে গেলে তিনি দেয় দিচ্ছি বলে সময় পার করতে থাকেন। কিছু দিন পর রুহুল আমিন একশ টাকার ৩টি স্ট্যাম্পে আমার বাবার নামে একটি বায়না চুক্তি আমাদেরকে দেখায় এবং বলে বায়না চুক্তির মাধ্যমে তিনি আমাদের জমি ক্রয় করেছেন। তখন বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ বসে মীমাংসা চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে বায়না চুক্তি বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় চুক্তির ফটোকপি নিয়ে আমি লালমোহন সাবরেজিষ্টার অফিসে তল্লাশি করলে তা না পাওয়ায়, ভোলা আদালতে ভুয়া বায়না চুক্তির বিরুদ্ধে মামলা করি। আদালতে মামলাটি তদন্ত করে এবং খুলনা ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে আমার বাবার আঙ্গুলের ছাপ বায়না চুক্তিতে আঙ্গুলের ছাপ না মেলায় বায়নাচুক্তিটি ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়। এরপর ভুয়া বায়না চুক্তি করার কারণে মো. রুহুল আমিন জেল খাটেন। জেল থেকে তিনি আমাদের জমি আমাদেরকে বুঝিয়ে দিবেন এই অঙ্গীকার করে বের হন। কিন্তু জেল থেকে বের হয়ে তিনি আরো বেপরোয়া হয়ে যান এবং আমাদের জমিতে আমরা গেলে আমাদেরকে খুন জখম করবে। না হয় তিনি তার পরিবারের সদস্যদের জমিতে নিয়ে খুন করে আমাদেরকে ফাঁসাবে বলে হুমকি প্রদান করছেন। আদালতে মামলাটি এখনো চলমান রয়েছে।
ভুয়া বায়নাকারী জুলুমবাজ রুহুল আমিনের জোর জুলুম হতে আমরা বাঁচতে চাই এবং আমাদের জমি আমরা যাতে নিরাপদে ভোগদখল করতে পারি তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

এ ব্যাপারে মো. রুহুল আমিনের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার মোবাইল বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।