
ভোলার লালমোহনে যৌতুকের দাবিতে এক গৃহবধূর ওপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী, দেবর ও শশুরের বিরুদ্ধে।
শনিবার দুপুর দুইটার দিকে উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড চরছকিনা গ্রামের বাসাবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। ওই গৃহবধূর নাম সোনিয়া আকতার, সে ওই বাড়ির বাবুল ফরাজীর দ্বিতীয় স্ত্রী।
সোনিয়া আকতার বর্তমানে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সোনিয়া জানান, আমার স্বামী বাবুল পূর্বেও একটি বিবাহ করেন। সেই স্ত্রী মারা যাওয়ার পর আমায় বিবাহ করেন। বিবাহের পর থেকে বিভিন্ন সময় টাকা-পয়সা দিয়েছি। কিন্তু চাহিদামতো না হওয়ায় প্রায় সময় তুচ্ছ ঘটনায় আমার ওপর নির্যাতন চালাতো স্বামী ও তার পরিবারের লোকজন।
সোনিয়া আরও বলেন, শনিবার আমার স্বামীর প্রথম সংসারের ছেলের বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় আমাকে দায়ি করে মারধর করা হয়। এ সুযোগে যৌতুকের চাহিদা অপূর্ণের জেরকে কাজে লাগিয়ে আমার ওপর অমানবিক নির্যাতন করে তারা।
স্বামী বাবুল, দেবর রুবেল, মিরাজ, শশুর ইয়াছিন মেকার মিলে আমাকে মারধর করে। একপর্যায়ে হত্যার চেষ্টা চালায় তারা।
আমি সুযোগ পেয়ে ৯৯৯ এ কল করলে পুলিশ এসে আমাকে উদ্ধার করে এবং আমাকেসহ স্বামী বাবুল ফরাজিকে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিজের স্ত্রী সোনিয়া আকতারের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করেন তার স্বামী বাবুল ফরাজি।
থানা সূত্রে জানা গেছে, শনিবার স্বামী স্ত্রী উভয়েই থানায় এসে তাদের ভুল বুঝতে পেরে পুনরায় শান্তিতে সংসার করার করার প্রত্যয়ে ফিরে গেছেন। আর স্থানীয় পর্যায়ে শালিস মিমাংসা হবে বলে জানিয়েছেন গৃহবধূ সোনিয়া আকতার।
লালমোহন ভোলা প্রতিনিধি 









