ঢাকা ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন লালমোহনে একতা জেনারেল হসপিটাল এন্ড ট্রমা সেন্টারের উদ্বোধন লালমোহনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন স্কুল থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে টমটমের চাপায় ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু লালমেহান পৌরসভার ময়লা ফেলা হচ্ছে হেলিপ্যাডের উপর ! দুর্ভোগ ও দুর্গন্ধে এলাকাবাসী লালমোহনে বিএনপির উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন পালিত লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত লালমোহনে হার্টের রোগে আক্রান্ত শিশু শাকিবকে বাঁচাতে বাবা মায়ের আকুতি কোস্ট গার্ডের অভিযানে লালমোহনে ৪৮ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক কোস্ট গার্ডের অভিযানে লালমোহনে ৪৮ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক
সংবাদ শিরোনাম :
Welcome To Our Website... সকল উপজেলা ও জেলায়, প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, বিজ্ঞাপনের সু-ব্যবস্থা রয়েছে, বিজ্ঞাপন দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন, যোগাযোগ- ০১৭৩০৯৪৮৯০২

লঞ্চঘাটে অতিরিক্ত টোল আদায়ের ভিডিও করায় সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নেয় ঘাটের ইজারা আদায়কারী

ভোলার লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাটের যাত্রী টোল ৫ টাকার পরিবর্তে ১০ টাকা নেয়া হচ্ছে। রবিবার বিকেলে মুঠোফোনে এ অনিয়মের ভিডিও ধারণ করেন লালমোহন উপজেলার নয়াদিগন্ত প্রতিনিধি এমআর পারভেজ। বিষয়টি টের পেয়ে তার মুঠোফোন কেড়ে নেন ঘাটের ইজারা আদায়কারী আকতার ও ফিরোজ নামের দুই ব্যক্তি। এসময় তারা ওই সাংবাদিকের সাথে অশোভন আচরণ করেন।
সাংবাদিক এম আর পারভেজ জানান, আমার অসুস্থ ভাগনিকে ঢাকাতে ডাক্তার দেখানোর জন্য এগিয়ে দিতে মঙ্গল সিকদার লঞ্চঘাটে যাই। সেখানে ঘাট ইজারাদারের লোকজন ঘাট টোল ৫ টাকার জায়গায় ১০ টাকা নিচ্ছে। আমি তাদেরকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ৫টাকার স্থলে ১০ টাকা কেন নিচ্ছেন জিজ্ঞাসা করলে তারা আমার সাথে খারাপ আচরণ করে। এরপর আমি বাইরে এসে ভিডিও করা শুরু করলে তারা কয়েকজন একত্রিত হয়ে আমার কাছে আসে এবং আকতার ও ফিরোজ আমার মোবাইল সেট কেড়ে নেয়। আমি আমার মোবাইল সেট ফেরত দিতে বললে তারা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মারতে আসে। একপর্যায়ে আমি লালমোহন থানার ওসিকে মোবাইলে ঘটনা জানালে পুলিশ আসলে তখন ওখানকার যুবদলের নেতা সোহাগ ও ইমাম পুলিশসহ আমাকে নিয়ে বসে এবং মোবাইল সেট ফেরত দেয়। তবে আমার মোবাইলে থাকা তাদের অনিয়মের ভিডিও ও ছবিগুলো তারা ডিলেট করে দেয়।

লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে মঙ্গলসিকদার ফাড়ির ইনচার্জসহ পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মোবাইল সেট ফেরত দিয়েছে ইজারাদারের লোকজন। সাংবাদিক অভিযোগ প্রদান করলে আইনআনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ বলেন, এর আগে এ অনিয়মের ব্যাপারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জরিমানা করা হয়েছে। ঈদের পর আমি সেখানে গিয়েছি এবং তখন আমি কোন অনিয়ম পাইনি। ইজারাদারের লোকজন আমাদের অগোচরে অনিয়ম করে থাকে। আজকের ব্যাপারটা বিআইডব্লিউকে জানানো হবে যাতে তারা আইনআনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন

লঞ্চঘাটে অতিরিক্ত টোল আদায়ের ভিডিও করায় সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নেয় ঘাটের ইজারা আদায়কারী

Update Time : ১১:২৮:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

ভোলার লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাটের যাত্রী টোল ৫ টাকার পরিবর্তে ১০ টাকা নেয়া হচ্ছে। রবিবার বিকেলে মুঠোফোনে এ অনিয়মের ভিডিও ধারণ করেন লালমোহন উপজেলার নয়াদিগন্ত প্রতিনিধি এমআর পারভেজ। বিষয়টি টের পেয়ে তার মুঠোফোন কেড়ে নেন ঘাটের ইজারা আদায়কারী আকতার ও ফিরোজ নামের দুই ব্যক্তি। এসময় তারা ওই সাংবাদিকের সাথে অশোভন আচরণ করেন।
সাংবাদিক এম আর পারভেজ জানান, আমার অসুস্থ ভাগনিকে ঢাকাতে ডাক্তার দেখানোর জন্য এগিয়ে দিতে মঙ্গল সিকদার লঞ্চঘাটে যাই। সেখানে ঘাট ইজারাদারের লোকজন ঘাট টোল ৫ টাকার জায়গায় ১০ টাকা নিচ্ছে। আমি তাদেরকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ৫টাকার স্থলে ১০ টাকা কেন নিচ্ছেন জিজ্ঞাসা করলে তারা আমার সাথে খারাপ আচরণ করে। এরপর আমি বাইরে এসে ভিডিও করা শুরু করলে তারা কয়েকজন একত্রিত হয়ে আমার কাছে আসে এবং আকতার ও ফিরোজ আমার মোবাইল সেট কেড়ে নেয়। আমি আমার মোবাইল সেট ফেরত দিতে বললে তারা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মারতে আসে। একপর্যায়ে আমি লালমোহন থানার ওসিকে মোবাইলে ঘটনা জানালে পুলিশ আসলে তখন ওখানকার যুবদলের নেতা সোহাগ ও ইমাম পুলিশসহ আমাকে নিয়ে বসে এবং মোবাইল সেট ফেরত দেয়। তবে আমার মোবাইলে থাকা তাদের অনিয়মের ভিডিও ও ছবিগুলো তারা ডিলেট করে দেয়।

লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে মঙ্গলসিকদার ফাড়ির ইনচার্জসহ পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মোবাইল সেট ফেরত দিয়েছে ইজারাদারের লোকজন। সাংবাদিক অভিযোগ প্রদান করলে আইনআনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ বলেন, এর আগে এ অনিয়মের ব্যাপারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জরিমানা করা হয়েছে। ঈদের পর আমি সেখানে গিয়েছি এবং তখন আমি কোন অনিয়ম পাইনি। ইজারাদারের লোকজন আমাদের অগোচরে অনিয়ম করে থাকে। আজকের ব্যাপারটা বিআইডব্লিউকে জানানো হবে যাতে তারা আইনআনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।