ঢাকা ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন লালমোহনে একতা জেনারেল হসপিটাল এন্ড ট্রমা সেন্টারের উদ্বোধন লালমোহনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন স্কুল থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে টমটমের চাপায় ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু লালমেহান পৌরসভার ময়লা ফেলা হচ্ছে হেলিপ্যাডের উপর ! দুর্ভোগ ও দুর্গন্ধে এলাকাবাসী লালমোহনে বিএনপির উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন পালিত লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত লালমোহনে হার্টের রোগে আক্রান্ত শিশু শাকিবকে বাঁচাতে বাবা মায়ের আকুতি কোস্ট গার্ডের অভিযানে লালমোহনে ৪৮ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক কোস্ট গার্ডের অভিযানে লালমোহনে ৪৮ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক
সংবাদ শিরোনাম :
Welcome To Our Website... সকল উপজেলা ও জেলায়, প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, বিজ্ঞাপনের সু-ব্যবস্থা রয়েছে, বিজ্ঞাপন দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন, যোগাযোগ- ০১৭৩০৯৪৮৯০২

গণমাধ্যমের স্বাধীনতার অঙ্গীকার হবে বড় সংস্কার: আলী রীয়াজ

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, রাজনীতিবিদরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার অঙ্গীকার দিলে সেটাই হবে সবচেয়ে বড় সংস্কার। এটা দলগুলোর জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে কাগজে সই করার চেয়ে বড় সংস্কার হবে। অন্তর্বর্তী সরকার না থাকলেও সাংবাদিকরা থেকে যাবেন। তাই সাংবাদিকদেরই নিজেদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন জারি রাখার আহ্বান জানান তিনি।

রোববার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় ডেইলি স্টার ভবনে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবিত প্রতিবেদন নিয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন কেন গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের রিপোর্টকে অন্তর্ভুক্ত করেনি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শুধু গণমাধ্যম কমিশন নয় আরও ৪টি রিপোর্ট ঐকমত্য কমিশনের অধীনে রাখা হয়নি। তার প্রধান এবং অন্যতম কারণ হলো সময়। ১২ ফেব্রুয়ারি একটা প্রজ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে ঐকমত্য কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়। যেহেতু তখন পর্যন্ত ৬টি কমিশনের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছিল তাই সরকারের পক্ষ থেকে এটি বিবেচনা করা হয় যে ৬টি কমিশনের যে প্রতিবেদন তার ভিত্তিতে নির্বাচনকে সামনে রেখে কাজ করতে হবে। আর গণমাধ্যম কমিশনের রিপোর্ট যখন দেয়া হয় তখন রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে এরিমধ্যে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। এই সময়ে এটি যোগ করলে কাজের ব্যত্যয় ঘটতো।

আলী রিয়াজ বলেন, গণমাধ্যম সংস্কারের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা ও চতুর্থ স্তম্ভ হওয়ার দিকটি বিবেচনা করতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত দিকটিও বিবেচনায় নিতে হবে। সাংবাদিক ইউনিয়নকে কর্মীদের পেশাগত নিরাপত্তা নিয়ে সোচ্চার হতে হবে। সরকারের অপেক্ষায় থাকা যাবে না। পেশাদারিত্বের জায়গা থেকে বিভিন্ন দাবি তোলা উচিত ছিল, সাংবাদিকরা তা করছে না। কারণ পেশাদারিত্বের জায়গায় যে অবস্থান নেয়ার কথা সেটি সাংবাদিকরা নেয়নি। দাবি তোলার ক্ষেত্রে প্রধান উপদেষ্টার দিকে চেয়ে থাকার প্রয়োজন নেই। ১৬ বছর ধরে সাংবাদিকতাকে ব্যবহার করে ফ্যাসিবাদী সরকারকে টিকিয়ে রাখলে তার দায় নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মালিকরা জানে সাংবাদিকদের বঞ্চিত করলেও কেউ প্রতিবাদ করবে না। মালিকানার যে ধরন তা অব্যহত রেখে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা দুরুহ ব্যাপার। মিডিয়া ব্যবহার হচ্ছে অন্য স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য। দোকানদার হলে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হওয়া সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান কমিশন অবাধ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করতে সক্ষম হবে বলে আশা করি। এই মুহূর্তে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর পদ্ধতি সম্ভব না। কমিশন সবকিছু বিবেচনা করে। অবাধ ও অংশগ্রহনমূলক নির্বাচন আয়োজনে যে কাজগুলো করা প্রয়োজন, সেগুলো তারা করবেন।

এসময়, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুর হক নুরের ওপর হামলার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান বিএনপির এ সিনিয়র নেতা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন

গণমাধ্যমের স্বাধীনতার অঙ্গীকার হবে বড় সংস্কার: আলী রীয়াজ

Update Time : ০৩:১৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, রাজনীতিবিদরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার অঙ্গীকার দিলে সেটাই হবে সবচেয়ে বড় সংস্কার। এটা দলগুলোর জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে কাগজে সই করার চেয়ে বড় সংস্কার হবে। অন্তর্বর্তী সরকার না থাকলেও সাংবাদিকরা থেকে যাবেন। তাই সাংবাদিকদেরই নিজেদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন জারি রাখার আহ্বান জানান তিনি।

রোববার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় ডেইলি স্টার ভবনে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবিত প্রতিবেদন নিয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন কেন গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের রিপোর্টকে অন্তর্ভুক্ত করেনি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শুধু গণমাধ্যম কমিশন নয় আরও ৪টি রিপোর্ট ঐকমত্য কমিশনের অধীনে রাখা হয়নি। তার প্রধান এবং অন্যতম কারণ হলো সময়। ১২ ফেব্রুয়ারি একটা প্রজ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে ঐকমত্য কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়। যেহেতু তখন পর্যন্ত ৬টি কমিশনের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছিল তাই সরকারের পক্ষ থেকে এটি বিবেচনা করা হয় যে ৬টি কমিশনের যে প্রতিবেদন তার ভিত্তিতে নির্বাচনকে সামনে রেখে কাজ করতে হবে। আর গণমাধ্যম কমিশনের রিপোর্ট যখন দেয়া হয় তখন রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে এরিমধ্যে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। এই সময়ে এটি যোগ করলে কাজের ব্যত্যয় ঘটতো।

আলী রিয়াজ বলেন, গণমাধ্যম সংস্কারের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা ও চতুর্থ স্তম্ভ হওয়ার দিকটি বিবেচনা করতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিক ও পেশাগত দিকটিও বিবেচনায় নিতে হবে। সাংবাদিক ইউনিয়নকে কর্মীদের পেশাগত নিরাপত্তা নিয়ে সোচ্চার হতে হবে। সরকারের অপেক্ষায় থাকা যাবে না। পেশাদারিত্বের জায়গা থেকে বিভিন্ন দাবি তোলা উচিত ছিল, সাংবাদিকরা তা করছে না। কারণ পেশাদারিত্বের জায়গায় যে অবস্থান নেয়ার কথা সেটি সাংবাদিকরা নেয়নি। দাবি তোলার ক্ষেত্রে প্রধান উপদেষ্টার দিকে চেয়ে থাকার প্রয়োজন নেই। ১৬ বছর ধরে সাংবাদিকতাকে ব্যবহার করে ফ্যাসিবাদী সরকারকে টিকিয়ে রাখলে তার দায় নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মালিকরা জানে সাংবাদিকদের বঞ্চিত করলেও কেউ প্রতিবাদ করবে না। মালিকানার যে ধরন তা অব্যহত রেখে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা দুরুহ ব্যাপার। মিডিয়া ব্যবহার হচ্ছে অন্য স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য। দোকানদার হলে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ হওয়া সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান কমিশন অবাধ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করতে সক্ষম হবে বলে আশা করি। এই মুহূর্তে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর পদ্ধতি সম্ভব না। কমিশন সবকিছু বিবেচনা করে। অবাধ ও অংশগ্রহনমূলক নির্বাচন আয়োজনে যে কাজগুলো করা প্রয়োজন, সেগুলো তারা করবেন।

এসময়, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুর হক নুরের ওপর হামলার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান বিএনপির এ সিনিয়র নেতা।