ঢাকা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
News Title :
লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন লালমোহনে একতা জেনারেল হসপিটাল এন্ড ট্রমা সেন্টারের উদ্বোধন লালমোহনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন স্কুল থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে টমটমের চাপায় ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু লালমেহান পৌরসভার ময়লা ফেলা হচ্ছে হেলিপ্যাডের উপর ! দুর্ভোগ ও দুর্গন্ধে এলাকাবাসী লালমোহনে বিএনপির উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন পালিত লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত লালমোহনে হার্টের রোগে আক্রান্ত শিশু শাকিবকে বাঁচাতে বাবা মায়ের আকুতি কোস্ট গার্ডের অভিযানে লালমোহনে ৪৮ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক কোস্ট গার্ডের অভিযানে লালমোহনে ৪৮ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক
সংবাদ শিরোনাম :
Welcome To Our Website... সকল উপজেলা ও জেলায়, প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে, বিজ্ঞাপনের সু-ব্যবস্থা রয়েছে, বিজ্ঞাপন দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন, যোগাযোগ- ০১৭৩০৯৪৮৯০২

ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় ফখরুল-আব্বাসসহ ৬৫ জনকে অব্যাহতি

রাজধানীর রমনা মডেল থানায় ককটেল বিস্ফোরণের মামলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ মোট ৬৫ জনকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত তদন্ত সংস্থার চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে এ আদেশ দেন।

অব্যাহতি পাওয়া উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে রয়েছেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বরকত উল্লাহ বুলু, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক, বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন প্রমুখ।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে বিএনপির পূর্বঘোষিত মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে রমনা থানা এলাকায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা সমবেত হন। এ সময় তারা যানবাহনে ক্ষতিসাধন ও পুলিশের কাজে বাধা দেন।

এ ঘটনায় একই বছরের ৩১ অক্টোবর রমনা থানার এসআই আউয়াল মির্জা ফখরুলসহ ৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।

২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মামুন হাসান আদালতে পৃথক দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এতে মির্জা ফখরুলসহ ৬৫ জনকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়। পরবর্তী সময়ে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে তাদের অব্যাহতি দেন। একই সঙ্গে বিস্ফোরণ আইনের চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলি করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন

ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় ফখরুল-আব্বাসসহ ৬৫ জনকে অব্যাহতি

Update Time : ০৩:৪৯:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

রাজধানীর রমনা মডেল থানায় ককটেল বিস্ফোরণের মামলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ মোট ৬৫ জনকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন গালিবের আদালত তদন্ত সংস্থার চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে এ আদেশ দেন।

অব্যাহতি পাওয়া উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে রয়েছেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বরকত উল্লাহ বুলু, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক, বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন প্রমুখ।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে বিএনপির পূর্বঘোষিত মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে রমনা থানা এলাকায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা সমবেত হন। এ সময় তারা যানবাহনে ক্ষতিসাধন ও পুলিশের কাজে বাধা দেন।

এ ঘটনায় একই বছরের ৩১ অক্টোবর রমনা থানার এসআই আউয়াল মির্জা ফখরুলসহ ৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন।

২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মামুন হাসান আদালতে পৃথক দুটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এতে মির্জা ফখরুলসহ ৬৫ জনকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়। পরবর্তী সময়ে গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে তাদের অব্যাহতি দেন। একই সঙ্গে বিস্ফোরণ আইনের চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলি করা হয়।